Logo
শিরোনাম
জুরাছড়িতে আগুনে পুড়ে নিঃস্ব সুনিল: মানবিক সাহায্য প্রয়োজন মন্ত্রী এ্যাড,দীপেন এঁর নির্দেশে পানছড়িতে  অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে মানবিক সাহায্য পটিয়ায় বি. চৌধুরী ফাউন্ডেশনের  চালসহ খাদ্য সামগ্রী  বিতরণ  ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত।  বিলাইছড়িতে পার্বত্য মন্ত্রীর ঈদ উপহার বান্দরবানে নিখোঁজের পর মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার ফারুয়া পানছড়িতে পুড়ে যাওয়া ত্রিপুরাদের পাশে উপজেলা প্রশাসন, বিএনপি ও  ফারুয়া ইউনিয়ন পরিষদ দুর্গম বড়থলি ইউনিয়নে ভিজিএফ ও ভিজিডি  বিতরণ বিলাইছড়ি ইউনিয়নে ভিজিএফ চাউল বিতরণ চকরিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৪ জন গ্রেপ্তার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজে-এর ৩৮ জন শিক্ষার্থীর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সাফল্য

ফাইতংয়ে লাগাতার বন্য হাতি তান্ডবে কৃষকের হাজার স্বপ্ন এবার চোখে কান্না

মো. ইসমাইলুল করিম নিজস্ব প্রতিবেদক:

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামায় ফাইতং ইউনিয়ন খেদারবান পাড়া ৫নং ওয়ার্ড এলাকায় কৃষক আনোয়ার হোসেনের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ফলানো ফসল যখন হাতির ধান ও সবজি ক্ষেতে ঢুকে তান্ডব চালায় এবং পায়ের নিচে পিষ্ট হয় কৃষকের চোখে কান্না মাথায় হাত। ঘটনা ঘটায় মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারী) রাত সাড়ে ৩ টায়। তখন সেই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। সম্প্রতি পাহাড়ে এলাকায় বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে গ্রামে পাহাড়ি কৃষক ফসলী এলাকাগুলোতে বন্য হাতি তান্ডব ভয়াবহ রূপ নিয়েছে এমন ঘটনা ঘটছে লামায় ফাইতং ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন ফসলী এলাকায়। বন্য হাতি তান্ডব এলাকায় কৃষকের চোখে কান্না ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কৃষক আনোয়ার হোসেন, নুরুচ্ছাফা, সাহাব উদ্দিন, মোহাম্মদ রাকিব,জুবাইর, মিজবাহ উদ্দীন, জসিম উদ্দিন, এখেলাস সহ অনেকে।কৃষকদের এই কান্নার পেছনে প্রধান কারণগুলো হলো, ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। তার মধ্যে ধান রোপণ মৌসুমে হাতি দল লোকালয়ে ঢুকে বিঘার পর বিঘা জমির ধান খেয়ে ও পা দিয়ে মাড়িয়ে নষ্ট করে দিচ্ছে এ বছর কিন্তু ধান রোপণ করার ২/১মাসে মধ্যে এসে হাতি ধান নষ্ট করে ফেলছেন।লামার ডলুছড়ি রেঞ্জ অফিসার এস.এম. হাবিবুল্লাহ এবং বন বিভাগের তথ্যমতে, প্রতি বছর বন্য হাতি আক্রমণে এলাকায় সাধারণ কৃষকের ক্ষয়ক্ষতি ফসল হানি ঘটে। ঘরবাড়ি ও জানমালের ক্ষতি শুধু ফসল নয়, ক্ষুধার্ত হাতি দল অনেক সময় কৃষকের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দিচ্ছে। এতে গৃহহীন হয়ে পড়ার পাশাপাশি প্রাণহানির ঝুঁকিও বাড়ছে। বসবাসের নিরাপত্তা হাতির ভয়ে অনেক এলাকার মানুষ রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারছেন না। মশাল জ্বালিয়ে বা পাহারা দিয়েও অনেক সময় হাতি দলকে ঠেকানো যাচ্ছে না। ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য বন বিভাগে আবেদন করলে নীতিমালা অনুযায়ী সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে। বন বিভাগের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী, হাতি আক্রমণে ফসলের ক্ষতির জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করলে সরকারি অনুদান পাবে। হাতি ও মানুষের এই দ্বন্দ্ব নিরসনে স্থায়ী সমাধানের জন্য যেমন বনায়ন প্রয়োজন, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো দাবি জানান এলাকার কৃষকরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!